হজযাত্রীদের চিকিৎসা ব্যয়ের নামে আটকে রাখা ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
- আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
- / 9
চলতি বছরের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা বলে সৌদি কর্তৃপক্ষের কেটে রাখা ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, হজযাত্রীদের বিমা সুবিধার আওতার বাইরে চিকিৎসা ব্যয় দেখিয়ে অর্থটি কেটে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়া ৩১০ জনের বিপরীতে ছিল ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫১ রিয়াল, আর সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জনের বিপরীতে ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯২ রিয়াল। গত ২৯ অক্টোবর জেদ্দায় বাংলাদেশ হজ অফিসের ‘নুসুক’ সিস্টেমে পুরো অর্থ জমা হয়েছে; ফেরত পাওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সিগুলো পাবে বলে জানানো হয়েছে।
অর্থ ফেরত আনতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দা সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক পর্যায়ে যোগাযোগ, তথ্য যাচাই ও আলোচনা চালিয়েছে। ধর্মমন্ত্রীর ভাষ্য, আগের হজ মৌসুমগুলোতে এভাবে অর্থ কেটে রাখার কোনো নজির ছিল না। উল্লেখ্য, হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর বেসরকারি এজেন্সিগুলোর হিসাবে প্রায় ১০ কোটি টাকা চিকিৎসা খরচের নামে আটকে রাখা হয়েছে জানিয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করেছিল হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।
একই সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী আরও জানান, হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের হজের উদ্বৃত্ত অর্থ থেকে ৪ হাজার ৩৪১ জন হজযাত্রীকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
২০২৭ সালের হজ নিয়েও আশার কথা শুনিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী। আগামী হজে বাংলাদেশের কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে, আর এ বিষয়ে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক আশ্বাস মিলেছে বলে তিনি জানান। বর্তমানে ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের কোটা সাড়ে ৭৮ হাজার।



















