Dhaka ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাকে কোনো ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না, প্রত্যর্পণ চুক্তিতেই হ্যান্ডওভার চাই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 2

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

শেখ হাসিনাকে কোনো ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে হাসিনাকে সাধারণ পাসপোর্ট কিংবা ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না; তাঁকে সাধারণ বা বাণিজ্যিক ভ্রমণকারী হিসেবেও দেখা হবে না। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির একটি প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি।

হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সক্রিয় বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে; সেই চুক্তির বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হাসিনার হ্যান্ডওভার চাওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, “অপরাধীকে ধরতে পাসপোর্ট লাগে না, লাগে জুডিশিয়াল প্রসেস।” তীর্যক মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, “সে কি তার শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াতে আসছে যে তাকে পাসপোর্ট দিতে হবে?”

প্রতিমন্ত্রীর এই মন্তব্য এল এমন দিনে, যেদিন ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করে এপিকে দেওয়া হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। গ্রেপ্তার কিংবা মৃত্যুর ঝুঁকি জেনেও তিনি ফিরবেন বলে ওই সাক্ষাৎকারে বলেছেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, সরকার সেই ফেরাকে স্বাভাবিক ভ্রমণ হিসেবে দেখছে না — দেখছে বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে।

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনাকে কোনো ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না, প্রত্যর্পণ চুক্তিতেই হ্যান্ডওভার চাই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনাকে কোনো ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে হাসিনাকে সাধারণ পাসপোর্ট কিংবা ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না; তাঁকে সাধারণ বা বাণিজ্যিক ভ্রমণকারী হিসেবেও দেখা হবে না। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির একটি প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি।

হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সক্রিয় বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে; সেই চুক্তির বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হাসিনার হ্যান্ডওভার চাওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, “অপরাধীকে ধরতে পাসপোর্ট লাগে না, লাগে জুডিশিয়াল প্রসেস।” তীর্যক মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, “সে কি তার শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াতে আসছে যে তাকে পাসপোর্ট দিতে হবে?”

প্রতিমন্ত্রীর এই মন্তব্য এল এমন দিনে, যেদিন ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করে এপিকে দেওয়া হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। গ্রেপ্তার কিংবা মৃত্যুর ঝুঁকি জেনেও তিনি ফিরবেন বলে ওই সাক্ষাৎকারে বলেছেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, সরকার সেই ফেরাকে স্বাভাবিক ভ্রমণ হিসেবে দেখছে না — দেখছে বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে।