Dhaka ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীপকে নৌ-পুলিশের হাতে দিল পিবিআই, তুরাগপাড় থেকে উদ্ধার নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 33

মাজার বস্তি এলাকা থেকে উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল। ছবি-সংগৃহীত

সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। নিখোঁজ হওয়ার আগের শেষ ঘণ্টাগুলোতে তাঁর সঙ্গে থাকা বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে ছায়া তদন্ত শেষে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীর তুরাগ নদসংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকা থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি কালো সুজুকি জিক্সার ১৫০ মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি; ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনও এখনো প্রকাশ পায়নি।

আগের খবরে বলা হয়েছিল, নিখোঁজের একদিন পর গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ-পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গভীর রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসা থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফের সঙ্গে প্রায় সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন দীপ—তাই শেষ সময়ের ঘটনাপ্রবাহ জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দীপকে সঙ্গে নিয়ে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যায় পিবিআইয়ের তদন্ত দল। বিআইডব্লিউটিএর ২৯ নম্বর সীমানা পিলার এলাকার মাঠে ঘটনার রাতে কী ঘটেছিল, তা যাচাই করা হয় সেখানে। ওই অভিযানেই উদ্ধার হয় নম্বরপ্লেটবিহীন কালো মোটরসাইকেলটি; এটি তাহসিফের কি না, কাগজপত্র যাচাই করে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার মধ্যরাতে পিবিআইয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দীপকে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এখন বক্তব্য, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য আলামত খতিয়ে দেখবে নৌ-পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেছেন, ঘটনার রাতে তিনি ও তাহসিফ মাজার বস্তি এলাকার মাঠে গিয়েছিলেন। সেখানে কথা বলার সময় কয়েকজন তাঁদের ধাওয়া করেন; ধাওয়াকারীদের দুজনের পরনে পুলিশের পোশাক ছিল বলে দীপ জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভয়ে তাহসিফ দৌড়ে নদীতে ঝাঁপ দেন, আর দীপ নিজে ২৯ নম্বর সীমানা পিলারের আড়ালে লুকিয়ে পরে সেখান থেকে চলে যান।

তবে এই বর্ণনার সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানিয়েছেন, দীপের দেওয়া বক্তব্যে একাধিক অসংগতি পাওয়া গেছে এবং তিনি একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। ধাওয়াকারীরা আসলেই পুলিশ সদস্য ছিলেন কি না, তাও নিশ্চিত হতে পারেনি পিবিআই। ওই রাতে তাঁরা কেন ওই এলাকায় গিয়েছিলেন, সেটিকেও রহস্যজনক বলছেন তদন্তকারীরা। এর আগে দীপের আগের বক্তব্যে মোটরসাইকেল ওয়ার্কশপ ও রুয়াপ কমপ্লেক্সে রাতের খাবারের প্রসঙ্গ ছিল—নতুন বক্তব্যের সঙ্গে তার মিল কতটা, তা-ও যাচাইয়ের বিষয়।

দীপের ‘নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার’ বর্ণনা মানতে নারাজ তাহসিফের বাবা। তাঁর ভাষ্য, তাহসিফ ভালো সাঁতার জানতেন; পাইলট প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বিশেষ সাঁতার কোর্সও করা ছিল তাঁর। ছেলের মৃত্যুর পেছনে হত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ময়নাতদন্তের পরীক্ষা গত বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হলেও পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি; ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা নমুনার প্রতিবেদনও পাওয়া যায়নি। সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ ছিল। ফলে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এই মুহূর্তে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

পিবিআই সূত্রের বরাতে জানা গেছে, পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার আগ্রহ না থাকায় এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করবে নৌ-পুলিশ। এর আগে তাহসিফের বাবা বলেছিলেন, পারিবারিক আলোচনার পর মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে এবং সরকারি তদন্তের ওপর তিনি আস্থা রাখছেন। অপমৃত্যুর মামলা হলে তদন্তের আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান এগিয়ে যাবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা: মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা শেষে বাসায় ফিরে দীপের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বের হন তাহসিফ; প্রায় সাড়ে পাঁচ–ছয় ঘণ্টা একসঙ্গে ছিলেন তাঁরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টা: ৯৯৯-এ খবর পেয়ে রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে মরদেহ উদ্ধার; পকেটের আইফোনে পরিচয় শনাক্ত।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর): ময়নাতদন্তের পরীক্ষা সম্পন্ন, জানাজা ও দাফন; গভীর রাতে বাবর রোড থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় পিবিআই।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর): দীপকে নিয়ে মাজার বস্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন; নম্বরপ্লেটবিহীন সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার।


শুক্রবার মধ্যরাত: ছায়া তদন্ত শেষে দীপকে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে পিবিআই।


এই মৃত্যুর সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলো এখনো খোলা: ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ কী আসে; উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি কার; ঘটনার রাতে মাজার বস্তির মাঠে আসলে কী ঘটেছিল; আর দীপের বদলে যাওয়া বক্তব্যগুলোর কোনটি সত্য। পিবিআইয়ের হাত ঘুরে তদন্ত এখন নৌ-পুলিশের কাছে—তাদের অনুসন্ধান আর ফরেনসিক প্রতিবেদনই পরবর্তী দিকনির্দেশনা দেবে। তত দিন পর্যন্ত কোনো দাবিকেই প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

শেয়ার করুন

দীপকে নৌ-পুলিশের হাতে দিল পিবিআই, তুরাগপাড় থেকে উদ্ধার নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল

আপডেট সময় : ০৯:১৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। নিখোঁজ হওয়ার আগের শেষ ঘণ্টাগুলোতে তাঁর সঙ্গে থাকা বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে ছায়া তদন্ত শেষে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীর তুরাগ নদসংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকা থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি কালো সুজুকি জিক্সার ১৫০ মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি; ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনও এখনো প্রকাশ পায়নি।

আগের খবরে বলা হয়েছিল, নিখোঁজের একদিন পর গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ-পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গভীর রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসা থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফের সঙ্গে প্রায় সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন দীপ—তাই শেষ সময়ের ঘটনাপ্রবাহ জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দীপকে সঙ্গে নিয়ে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যায় পিবিআইয়ের তদন্ত দল। বিআইডব্লিউটিএর ২৯ নম্বর সীমানা পিলার এলাকার মাঠে ঘটনার রাতে কী ঘটেছিল, তা যাচাই করা হয় সেখানে। ওই অভিযানেই উদ্ধার হয় নম্বরপ্লেটবিহীন কালো মোটরসাইকেলটি; এটি তাহসিফের কি না, কাগজপত্র যাচাই করে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার মধ্যরাতে পিবিআইয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দীপকে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এখন বক্তব্য, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য আলামত খতিয়ে দেখবে নৌ-পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেছেন, ঘটনার রাতে তিনি ও তাহসিফ মাজার বস্তি এলাকার মাঠে গিয়েছিলেন। সেখানে কথা বলার সময় কয়েকজন তাঁদের ধাওয়া করেন; ধাওয়াকারীদের দুজনের পরনে পুলিশের পোশাক ছিল বলে দীপ জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভয়ে তাহসিফ দৌড়ে নদীতে ঝাঁপ দেন, আর দীপ নিজে ২৯ নম্বর সীমানা পিলারের আড়ালে লুকিয়ে পরে সেখান থেকে চলে যান।

তবে এই বর্ণনার সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানিয়েছেন, দীপের দেওয়া বক্তব্যে একাধিক অসংগতি পাওয়া গেছে এবং তিনি একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। ধাওয়াকারীরা আসলেই পুলিশ সদস্য ছিলেন কি না, তাও নিশ্চিত হতে পারেনি পিবিআই। ওই রাতে তাঁরা কেন ওই এলাকায় গিয়েছিলেন, সেটিকেও রহস্যজনক বলছেন তদন্তকারীরা। এর আগে দীপের আগের বক্তব্যে মোটরসাইকেল ওয়ার্কশপ ও রুয়াপ কমপ্লেক্সে রাতের খাবারের প্রসঙ্গ ছিল—নতুন বক্তব্যের সঙ্গে তার মিল কতটা, তা-ও যাচাইয়ের বিষয়।

দীপের ‘নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার’ বর্ণনা মানতে নারাজ তাহসিফের বাবা। তাঁর ভাষ্য, তাহসিফ ভালো সাঁতার জানতেন; পাইলট প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বিশেষ সাঁতার কোর্সও করা ছিল তাঁর। ছেলের মৃত্যুর পেছনে হত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ময়নাতদন্তের পরীক্ষা গত বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হলেও পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি; ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা নমুনার প্রতিবেদনও পাওয়া যায়নি। সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ ছিল। ফলে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এই মুহূর্তে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

পিবিআই সূত্রের বরাতে জানা গেছে, পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার আগ্রহ না থাকায় এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করবে নৌ-পুলিশ। এর আগে তাহসিফের বাবা বলেছিলেন, পারিবারিক আলোচনার পর মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে এবং সরকারি তদন্তের ওপর তিনি আস্থা রাখছেন। অপমৃত্যুর মামলা হলে তদন্তের আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান এগিয়ে যাবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা: মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা শেষে বাসায় ফিরে দীপের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বের হন তাহসিফ; প্রায় সাড়ে পাঁচ–ছয় ঘণ্টা একসঙ্গে ছিলেন তাঁরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টা: ৯৯৯-এ খবর পেয়ে রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে মরদেহ উদ্ধার; পকেটের আইফোনে পরিচয় শনাক্ত।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর): ময়নাতদন্তের পরীক্ষা সম্পন্ন, জানাজা ও দাফন; গভীর রাতে বাবর রোড থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় পিবিআই।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর): দীপকে নিয়ে মাজার বস্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন; নম্বরপ্লেটবিহীন সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার।


শুক্রবার মধ্যরাত: ছায়া তদন্ত শেষে দীপকে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে পিবিআই।


এই মৃত্যুর সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলো এখনো খোলা: ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ কী আসে; উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি কার; ঘটনার রাতে মাজার বস্তির মাঠে আসলে কী ঘটেছিল; আর দীপের বদলে যাওয়া বক্তব্যগুলোর কোনটি সত্য। পিবিআইয়ের হাত ঘুরে তদন্ত এখন নৌ-পুলিশের কাছে—তাদের অনুসন্ধান আর ফরেনসিক প্রতিবেদনই পরবর্তী দিকনির্দেশনা দেবে। তত দিন পর্যন্ত কোনো দাবিকেই প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।