Dhaka ০১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আকুর বিল মিটিয়ে রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে, গ্রস ৩৪.৮৫ বিলিয়ন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / 2

প্রতীকী ছবি

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক আকুর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদের বিল বাবদ ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। এরপর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতির হিসাবে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার।

তবে মোট (গ্রস) হিসাবে রিজার্ভ এখনো ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। আজকের পত্রিকার হিসাবে বিপিএম-৬ রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ও গ্রস রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। বিল পরিশোধের আগের দিন বুধবার গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ হিসাবে ছিল ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছে বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর; ফিন্যান্সিয়াল বার্তার হিসাবে এক দিনে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তাঁর ভাষ্য, বরাবরের মতোই আকুর দেনা শোধের পর রিজার্ভ খানিকটা কমেছে — এটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। আকু ব্যবস্থায় বাংলাদেশ প্রতি দুই মাস পরপর সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি বিল নিষ্পত্তি করে থাকে।

বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরের হিসাবে, বর্তমান ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। এদিকে ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রিও অব্যাহত রেখেছে — বুধবার (৪ নভেম্বর) নিলামে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি করা হয় ১২৪ টাকা ৩০ থেকে ৩৫ পয়সা দরে; তার আগের সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার।

শেয়ার করুন

আকুর বিল মিটিয়ে রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে, গ্রস ৩৪.৮৫ বিলিয়ন

আপডেট সময় : ০৯:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক আকুর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদের বিল বাবদ ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। এরপর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতির হিসাবে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার।

তবে মোট (গ্রস) হিসাবে রিজার্ভ এখনো ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। আজকের পত্রিকার হিসাবে বিপিএম-৬ রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ও গ্রস রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। বিল পরিশোধের আগের দিন বুধবার গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ হিসাবে ছিল ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছে বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর; ফিন্যান্সিয়াল বার্তার হিসাবে এক দিনে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তাঁর ভাষ্য, বরাবরের মতোই আকুর দেনা শোধের পর রিজার্ভ খানিকটা কমেছে — এটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। আকু ব্যবস্থায় বাংলাদেশ প্রতি দুই মাস পরপর সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি বিল নিষ্পত্তি করে থাকে।

বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরের হিসাবে, বর্তমান ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। এদিকে ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রিও অব্যাহত রেখেছে — বুধবার (৪ নভেম্বর) নিলামে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি করা হয় ১২৪ টাকা ৩০ থেকে ৩৫ পয়সা দরে; তার আগের সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার।