Dhaka ০৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-চট্টগ্রামে দূরত্ব কমবে ৮০ কিমি: শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা উড়াল রেলপথের উদ্যোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 35

প্রতীকী ছবি।

অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানী ঢাকার শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন কর্ডলাইন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত এই রেলপথটি পুরোপুরি উড়ালপথে (Elevated) নির্মিত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে যাবে। একই সঙ্গে দুই নগরের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমে আসবে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

প্রকল্প ব্যয়ে দুটি বিকল্প প্রস্তাব:

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্পূর্ণ উড়াল কাঠামোয় রেলপথটি নির্মিত হলে এর প্রাথমিক প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণের পর বাস্তবায়নে সময় লাগবে প্রায় চার বছর। তবে রেলপথটি সম্পূর্ণ উড়াল হবে নাকি মাটির বাঁধ ও উড়াল কাঠামোর সমন্বয়ে হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

যদি এটি মাটির বাঁধ ও উড়াল কাঠামোর সমন্বয়ে তৈরি করা হতো, তবে ব্যয় হতো প্রায় ৭৩ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা। তবে সম্পূর্ণ উড়াল কাঠামোয় নির্মাণ করা হলে প্রায় ৩২২ একর মূল্যবান জমি সাশ্রয় হবে।

বৈদ্যুতিক ও দ্রুতগতির ট্রেনের উপযোগী কারিগরি দিক:

প্রকল্পের প্রযুক্তিগত দিক উল্লেখ করে জানানো হয়, নতুন এই ডাবল ট্র্যাকের ব্রডগেজ রেলপথে ভবিষ্যতে হাই-স্পিড বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। লাইনটি ২৫ টন এক্সেল লোড বহনে সক্ষম করে ডিজাইন করা হচ্ছে। ট্রেনের নকশাগত সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার এবং পরিচালনগত সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ঢাকা-চট্টগ্রামে দূরত্ব কমবে ৮০ কিমি: শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা উড়াল রেলপথের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানী ঢাকার শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন কর্ডলাইন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত এই রেলপথটি পুরোপুরি উড়ালপথে (Elevated) নির্মিত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে যাবে। একই সঙ্গে দুই নগরের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমে আসবে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

প্রকল্প ব্যয়ে দুটি বিকল্প প্রস্তাব:

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্পূর্ণ উড়াল কাঠামোয় রেলপথটি নির্মিত হলে এর প্রাথমিক প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণের পর বাস্তবায়নে সময় লাগবে প্রায় চার বছর। তবে রেলপথটি সম্পূর্ণ উড়াল হবে নাকি মাটির বাঁধ ও উড়াল কাঠামোর সমন্বয়ে হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

যদি এটি মাটির বাঁধ ও উড়াল কাঠামোর সমন্বয়ে তৈরি করা হতো, তবে ব্যয় হতো প্রায় ৭৩ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা। তবে সম্পূর্ণ উড়াল কাঠামোয় নির্মাণ করা হলে প্রায় ৩২২ একর মূল্যবান জমি সাশ্রয় হবে।

বৈদ্যুতিক ও দ্রুতগতির ট্রেনের উপযোগী কারিগরি দিক:

প্রকল্পের প্রযুক্তিগত দিক উল্লেখ করে জানানো হয়, নতুন এই ডাবল ট্র্যাকের ব্রডগেজ রেলপথে ভবিষ্যতে হাই-স্পিড বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। লাইনটি ২৫ টন এক্সেল লোড বহনে সক্ষম করে ডিজাইন করা হচ্ছে। ট্রেনের নকশাগত সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার এবং পরিচালনগত সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।